আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি ১৮ কোটি মানুষের: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি এখন কেবল রাজনৈতিক কর্মীদের নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির অঙ্গসংগঠনসমূহ আয়োজিত "তারুণ্যের সমাবেশে" প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “আমরা কঠিন সময় পার করছি। শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার সহযোগী ও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। যারা দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব পেয়েছে, তারা সে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ, যার ফলে ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ নিচ্ছে।”

আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে ফখরুল বলেন, “১৯৭১-পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী লীগ জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে, গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে।” তিনি দাবি করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া দেশের প্রথম সংস্কার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এগিয়ে যাবো। তরুণরাই বর্তমান আন্দোলনের প্রধান শক্তি।” তিনি বলেন, “১৬-১৮ বছর ধরে আমরা মামলা-হামলা, গুম-খুনের শিকার হয়েছি, কিন্তু গণতন্ত্রের প্রশ্নে আমরা আপসহীন।”

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তামিম ইকবালের উপস্থিতি তরুণদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি করে।

বক্তারা সবাই তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং “সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার” অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।