প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষক পদ বাতিল: উদ্বেগ প্রকাশ

বাংলাদেশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের পদ বাতিলের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি) এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে।

বুধবার পৃথক বিবৃতিতে সংস্থা ও সংগঠনগুলো জানায়, সরকারের এই পদক্ষেপ শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও শিশুদের সার্বিক বিকাশের পথে বড় বাধা তৈরি করবে।

আসক এক বিবৃতিতে বলেছে, সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত শিক্ষার মানবিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বিকাশের পরিপন্থী। এটি সরকারের উদার ও প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির ঘাটতির পরিচায়ক এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সংকীর্ণ পরিসরে ঠেলে দেবে।

অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি) বিবৃতিতে বলেছে, “সরকারের এই সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ও নতজানু পদক্ষেপ।” সংস্থাটির মতে, এমন সিদ্ধান্ত কেবল অযৌক্তিক নয়, বরং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানবিক ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে আঘাত করে। তারা আরও বলে, এই পদক্ষেপ পেশাগত স্বাধীনতা ও চিন্তার স্বাধীনতার পরিপন্থী।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন বিবৃতিতে বলেন, “সরকার মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চাপে আত্মসমর্পণ করেছে।” তারা মনে করেন, শিশুদের মানবিক ও সৃজনশীল বিকাশের জন্য বিদ্যালয়ে সংগীত, খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই।