প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে জনআকাঙ্ক্ষার পরিপূরক কোনো পদক্ষেপ নেবে সরকার: ধর্ম উপদেষ্টা

বাংলাদেশ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কিছু ধর্মীয় সংগঠনের আপত্তির প্রেক্ষাপটে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জনরোষ বা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়—এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করবে না।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান চন্দ্র রায় পোদ্দারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ড. খালিদ হোসেন বলেন, “সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে একটি বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই কাজ করছে। তাই জনগণের অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ক্লাসের সংখ্যা আগের তুলনায় ইতোমধ্যে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ডা. বিধান চন্দ্র রায় পোদ্দারের উদ্ধৃতি দিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “সরকারের নীতি ও পলিসি বিবেচনায় রেখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেয়। সব পদক্ষেপই জনস্বার্থ ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।”

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষায় স্নাতক ডিগ্রিধারীরাও সমানভাবে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন।

বৈঠকে ধর্ম উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।