ভৈরবে দম্পতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলা, এসআই ক্লোজড

অপরাধ
ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন ও তার সহকর্মী এসআই শ্যামল চন্দ্র দেবনাথের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে তদন্ত চলছে। কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়; প্রমাণ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।​

৮ মার্চ রাতে মাদক কারবারি আকবর আলীর ঘর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন এসআই শ্যামল। তবে আকবর ও তার স্ত্রী রুবি বেগমের নামে মামলা না করে, তাদের ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী স্মৃতি বেগমের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেন এসআই আল মামুন ও এসআই শ্যামল। টাকা না দেওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারের হুমকি দেন। পরে ১১ মার্চ রাতে মোহাম্মদ আলীকে আটক করে পুনরায় ১ লাখ টাকা দাবি করেন তারা। মামলা থেকে বাঁচতে প্রতিবেশির কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়া পান মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী।​

৪ এপ্রিল বিকেলে এই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবার। তারা অভিযোগ করেন, এসআই আল মামুন ও শ্যামল তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দিয়ে অর্থ আদায় করতে চেয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপারের নজরে আসে। এরপরই এসআই আল মামুনকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।​

এ বিষয়ে এসআই আল মামুন ও এসআই শ্যামল চন্দ্র দেবনাথ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাদক উদ্ধারের পরই মামলা দায়ের করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।​